কেন প্রোবায়োটিক

প্রোবায়োটিক হল জীবন্ত অনুজীব যার পর্যাপ্ত উপস্থিতি পোষক দেহে নানা ধরণের স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করে। যেহেতু মানবদেহ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা পরিবেষ্টিত, তাই প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধে প্রোবায়োটিক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানবদেহে প্রোবায়োটিকের নানা সুবিধা পরিলক্ষিত হয়-

১. আন্ত্রিক অনুজীবের ভারসাম্য রক্ষাঃ

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার একটি প্রধান কারণ হল গাট ডিসবায়োসিস যেখানে অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার তুলনায় খারাপ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে প্রোবায়োটিক সেবন ক্ষতিকর ধ্বংসের মাধ্যমে আন্ত্রিক ব্যাকটেরিয়াল ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে।

২. আন্ত্রিক রোগ প্রতিরোধঃ

বিভিন্ন আন্ত্রিক রোগ মোকাবেলায় প্রোবায়োটিক অনুজীবের ভারসাম্য বজায় রাখে। অন্ত্রে অধিক প্রোবায়োটিকের উপস্থিতি আমাদের গাটসিস্টেম কে ডায়রিয়া, বদহজম, আই বি ভি ইত্যাদি সমস্যার বিরুদ্ধে শক্তিশালী করে।

৩. মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিঃ

বিশ্বের বিভিন্ন রিসার্চাররা মনে করেন, কিছু প্রোবায়োটিক স্ত্রেইন যেমন- ল্যাকটোব্যাসিলি এবং বিফিডোব্যাকটেরিয়াম মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। পনেরোটি সমীক্ষার পর্যালোচনা নিশ্চিত করে যে, প্রোবায়োটিক ডিপ্রেশন, উদ্বেগ, ওডিসি ও আটিজমের বিরুদ্ধে সহায়ক।

৪. নারী স্বাস্থ্যের উন্নতিঃ

প্রোবায়োটিক নারীদের ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস, এন্ডোমেট্রিয়োসিস, গর্ভাবস্থায় প্রি-এক্লাম্পসিয়া, অকাল প্রসব, কম ওজনের শিশু জন্মদানের মত সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

৫. স্কিনের উন্নতিঃ

প্রোবায়োটিক একজিমা প্রতিরোধ করে। এছাড়াও এটি প্রদাহী এলার্জী এবং শিশু ও প্রাপ্তবয়ষ্কদের ব্রণের সমস্যা দূর করে।