শিশু স্বাস্থ্যে প্রোবায়োটিকঃ
সাধারণত প্রোবায়োটিক শিশুদের জন্য নিরাপদ যদি না সেই শিশুর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দূর্বল হয়, সে প্রিম্যাচিউর বা ক্যান্সার আক্রান্ত হয়। এসকল ক্ষেত্রে প্রোবায়োটিক শিশুদের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। কিছু গবেষণায় দেখা যায়, প্রোবায়োটিক শিশুদের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বেশ ভাল ফলাফল দেয়। যদি কোন শিশুকে টানা ৩ মাস প্রোবায়োটিক দেয়া হয়, তাহলে তাদের অন্যান্য শিশুদের তুলনায় ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি কম থাকে। গবেষণায় আরও দেখা যায়, প্রোবায়োটিক শিশুদের অটোইমিউন, অ্যালার্জি এবং হাঁপানির মত সমস্যা থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। অন্যদিকে কিছু গবেষকের মতে, প্রোবায়োটিক শিশুদের উপর খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেনা। যেহেতু তাদের মাইক্রোবায়োম সুগঠিত নয়, সেহেতু প্রোবায়োটিক শুধুই বর্জ্য হিসেবে বেরিয়ে যেতে পারে। চিকিৎসক পরামর্শ না দিলে শিশুদের জন্য প্রোবায়োটিক খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করাই বেশি ভালো। শিশুদের জন্য প্রোবায়োটিক ব্যবহার করতে চাইলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
বুকের দুধে প্রোবায়োটিকঃ
বুকের দুধে বিফিডোব্যাকটেরিয়াম ও ল্যাক্টোব্যসিলিসহ আরও প্রায় ৬০০ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া রয়েছে।এসকল ব্যাকটেরিয়া শিশুর মুখ বা মায়ের অন্ত্র থেকেও আসতে পারে। মায়ের অন্ত্রে থাকা সুরক্ষা প্রদান কারী কোষগুলো লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়াকে সারা দেহে বহন করতে পারে। এই কোষগুলো স্তনগ্রন্থিতে শেষ হতে পারে এবং বুকের দুধে মিশে যেতে পারে। সমীক্ষায় দেখা যায়, একদিনের নবজাতকের এন্টারোকোকাস এবং স্ট্রেপ্টোকোকাস অণুজীবগুলো প্রায়ই আলাদা হয়ে যায়। ১০ দিন থেকে ৩ মাস বয়স পর্যন্ত বিফিডোব্যাকটেরিয়াল গ্রুপের ব্যাকটেরিয়াই অধিক পাওয়া যায়। ল্যাকটোব্যসিলি ও বিফিডোব্যাকটেরিয়ালই সাধারণত মায়ের বুকের দুধে পাওয়া যায় যা শিশুর মাঝে মূলত মাইক্রোবায়োটার বীজ বপন করে।