আইবিএস একটি বহুল পরিচিত শারীরিক সমস্যা যা পাচনতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে। এটি ইরিটেবল কোলন নামেও পরিচিত যা আন্ত্রিক প্রবাহগত রোগ থেকে আলাদা। আইবিএস সাধারণত অনেকগুলো লক্ষণ একসাথে নিয়ে প্রকাশ পায়। এর প্রবলতা বা সময়কাল ব্যক্তি বিশেষে আলাদা হয় যা ৩ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে....

পাকস্থলির ব্যাথা বলতে মূলত পেট ব্যাথাকেই বোঝায়। এ ব্যাথা মূলত বুক আর প্যালভিক অঞ্চলের মাঝে হয়ে থাকে। এটি নিস্তেজ, সবিরাম বা তীব্র হতে পারে। নির্দিষ্ট প্রদাহ বা রোগ ও আন্ত্রিক ব্যাথা সৃষ্টির মাধ্যমে পাকস্থলিতে তাদের আক্রমণের প্রকাশ ঘটায়। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবীর দ্বারা সংঘটিত ইনফেকশনও পেটে ব্যাথার কারণ হয়....

দৈনিক ৩ বার বা তার বেশি পাতলা পায়খানা হলেই তাকে ডায়রিয়া বলা যাবে। ডায়রিয়া সাধারণত এক বা দুইদিন স্থায়ী হয়। কিন্তু এটি যদি এর ত্থেকে বেশিদিন স্থায়ী হয় তবে তা রোগীর জন্য জটিল সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে....

গ্যাস বা পেট ফুলে যাওয়া আইবিএস এর ক্ষেত্রে খুবই স্বাভাবিক। পাকস্থলী অনেক বেশি গ্যাস উৎপন্ন করলে বা ঝামেলা সৃষ্টি করলে অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। গ্যাসের সমস্যা বয়ষ্কদের জন্য স্বাভাবিক হলেও অতিরিক্ত গ্যাস আন্ত্রিক গোলযোগের কারণ হতে পারে। গ্যাস এবং পেট ফুলে যাওয়া দুটোই অস্বস্তি ও পেটে ব্যাথার কারণ....

ব্রণ সব ধরণের মানুষের মাঝেই দেখা দেয় কিন্তু কিশোর-কিশোরীদের মাঝে ব্রণের সমস্যা সর্বাধিক। লোমকূপের ফলিক্যালগুলো ত্বকের তেল এবং মৃত কোষগুলোর সাথে আটকে গেলে ব্রণের সৃষ্টি হয় এবং মেটাবলিজম সঠিক না হলেও ব্রণের সৃষ্টি হয়। এটি হোয়াইট হেডস বা পিম্পলস সৃষ্টি করে....

হ্যাপাটিক এনসেফেলোপ্যাথি হচ্ছে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা হ্রাস যা গুরুতর লিভারের রোগ সৃষ্টি করে। এক্ষত্রে লিভার রক্ত থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে টক্সিন অপসারণ করতে পারেনা। এটি রক্তপ্রবাহে টক্সিন সৃষ্টি করায় মস্তিষ্কের ক্ষতির কারণ হয়।

প্রি-এক্লাম্পসিয়া হলো গর্ভাবস্থায় সৃষ্ট এক ধরনের জটিলতা যা উচ্চ রক্তচাপের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে যকৃত বা কিডনীর মত আর্গান সিস্টেমের ক্ষতির কারণ হয়। আধিকাংশ ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার বিশ সপ্তাহ পর প্রি-এক্লাম্পসিয়া সমস্যা শুরু হয়।

মূত্রনালীর ইনফেকশন বলতে ইউরিনারী সিস্টেমের যেকোন অংশ তথা কিডনী, বৃক্কনালী এবং মূত্রাশয়ের ইনফেকশনকে বোঝায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই ইনফেকশনের প্রাদুর্ভাব মূত্রনালীর নিচের অংশ তথা মূত্রাশয় ও বৃক্কনালীতে বেশি থাকে। পুরুষের তুলনায় নারীদের এই রোগে আক্রান্তের হার বেশি।

নবজাতক ও শিশুদের জন্য পুষ্টির সর্বোত্তমরূপ হলো মায়ের দুধ। স্তন্যপান মা এবং সন্তানের মধ্যে সর্বোত্তম আত্মিক বন্ধন সৃষ্টি করে। মায়ের দুধ শিশুর বিকাশে, রোগ প্রতিরোধে, মস্তিষ্কের গঠনে বিভিন্ন ধরণের বায়োএক্টিভ পদার্থ সরবরাহ করে।

গাট মাইক্রোবায়োম ইমিউনোমডিউলেটরী ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরী ফাংশন সমৃদ্ধ মলিকিউল উৎপাদনের মাধ্যমে ইমিউন সেলকে শক্তিশালী করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে....