আই বি এস

আইবিএস একটি বহুল পরিচিত শারীরিক সমস্যা যা পাচনতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে। এটি ইরিটেবল কোলন নামেও পরিচিত যা আন্ত্রিক প্রবাহগত রোগ থেকে আলাদা। আইবিএস সাধারণত অনেকগুলো লক্ষণ একসাথে নিয়ে প্রকাশ পায়। এর প্রবলতা বা সময়কাল ব্যক্তি বিশেষে আলাদা হয় যা ৩ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

লক্ষণসমূহঃ

খাবার সাথে সাথে পাকস্থলি ফুলে যাওয়া, খিচধরা, গ্যাসজনিত পেটেব্যাথা, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য।

কারণ, রোগনির্ণয় ও চিকিৎসাঃ

আইবিএস এর সুদীর্ঘ জটিলতা স্বাভাবিক জীবনযাপনে অনেক প্রভাব ফেলে যা অনেক সময়ই বেশ বিব্রতকর হয়। এর আসল কারণ অজানা, তবে ধারণা করা হয় বংশানুক্রমেই মানুষ এটি বহন করে। এর কোন প্রতিকার নেই, শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং সুনির্দিষ্ট ওষুধ সেবনই এটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

আইবিএস প্রতিরোধে প্রোবায়োটিকের ভূমিকাঃ

আইবিএস খুবই পরিচিত পাকস্থলির সমস্যা। এক্ষেত্রে সাধারণত মলত্যাগ বা বায়ুত্যাগের মাধ্যমে সাময়িকভাবে পেটের ব্যাথা বা আস্বস্তি থেকে স্বস্তি পাওয়া যায়। আইবিএস সমস্যায় খুব সহজে শারীরিক, রেডিওলজিক্যাল, এন্ডোস্কোপিক আস্বাভাবিকতা বা ল্যাবরেটরী রিপোর্ট পাওয়া যায়না যা কোন সুনির্দিষ্ট রোগকে নির্দেশ করে। পাকস্থলী অঞ্চলে প্রোবায়োটিকের এর প্রভাব খুবই ইতিবাচক। আইবিএস থেকে পরিত্রাণের জন্য পরিপাকনালীতে প্রদাহ সৃষ্টিকারী সাইটোকাইনিসের বিরুদ্ধে রক্ষাকারীর ভারসাম্য থাকাটা খুবই জরুরী। আর এক্ষত্রে প্রবায়োটিক অপ্রতিরোধ্য। প্রোবায়োটিক অন্ত্রিক মিউকাসের প্রতিরোধ শক্তিশালী করে এবং পরিপাকনালীর স্বাভাবিকতা গতিশীলতা ও সংবেদনশীলতা বজায় রাখে।

Probiotic strains have numerous positive effects in the gastrointestinal tract. The beneficial effects of probiotics in IBS could be explained by increasing the mass of beneficial bacteria in the digestive tract, decreasing bacterial overgrowth in the small bowel and reversing the imbalance between the pro- and anti-inflammatory cytokines. Probiotics can also reinforce the intestinal mucosal barrier and normalize the motility of the digestive tract and its visceral sensitivity.

যেসব লক্ষণগুলো উন্নতির জন্য প্রোবায়োটিক প্রস্তাবিত হয়েছেঃ

  • ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ প্রতিহত করতে
  • ইমিউন সিস্টেমের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো
  • প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করা
  • আন্ত্রিক গতি কমিয়ে দেয়া
  • অন্ত্রে গ্যাস সৃষ্টি হতে না দেয়া
  • গ্যাস উৎপন্নহলে সেক্ষেত্রে অন্ত্রের সংবেদনশীলতা হ্রাস করা