পেট ব্যথা
পাকস্থলির ব্যাথা বলতে মূলত পেট ব্যাথাকেই বোঝায়। এ ব্যাথা মূলত বুক আর প্যালভিক অঞ্চলের মাঝে হয়ে থাকে। এটি নিস্তেজ, সবিরাম বা তীব্র হতে পারে। নির্দিষ্ট প্রদাহ বা রোগ ও আন্ত্রিক ব্যাথা সৃষ্টির মাধ্যমে পাকস্থলিতে তাদের আক্রমণের প্রকাশ ঘটায়। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবীর দ্বারা সংঘটিত ইনফেকশনও পেটে ব্যাথার কারণ হয়।
সাধারণ কারণসমূহঃ
- পাকস্থলি ও অন্ত্রের প্রদাহ
- এসিডরিফ্লাক্স
- ডায়রিয়া
- কোষ্ঠকাঠিন্য
- বমি
পেট ব্যাথার ধরণঃ
পাকস্থলীর নির্দিষ্ট কোন অংশে প্রদাহজনিত ক্ষতের কারণে পেটে ব্যাথা হতে পারে। এতে ব্যাথার সাথে ডায়রিয়া, কোষ্টকাঠিন্য বা পেটে খিচ ধরার সমস্যাও হতে পারে। এ ধরনের ব্যাথাব্যাপ্তির সময়কাল নির্দিষ্ট নয়। এপেনডিক্স, কিডনীতে পাথর বা ইনফেকশন ও আরও নানাকারণে দীর্ঘস্থায়ী পেটে ব্যাথা হতে পারে।
Diarrhea, constipation and other IBS symptoms may result in cramp like pain. There is no certain duration of these types of pain.
Chronic pain may happen due to severe conditions like appendicitis, kidney stone & infection etc.
প্রবলতা নির্দেশকঃ
- ২৪ ঘন্টার বেশিব্যাথা
- পায়খানা ও বমির সাথে রক্ত
- তীব্র জ্বর
- পেট ফুলে যাওয়া
- শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা
- বমিবমি লাগা
চিকিৎসাঃ
প্রকৃত রোগ নির্ণয়ের পর অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করতে হবে।আইবিএসএর লক্ষণজনিত ব্যাথা পরিহার করতে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, বারবার পানি খাওয়ার অভ্যাস, সুনির্দিষ্ট ব্যায়াম এর অভ্যাস করতে হবে এবং একসাথে অধিক খাবার গ্রহণ পরিহার করতে হবে।
পেটে ব্যাথা প্রতিরোধে প্রোবায়োটিকের ভূমিকাঃ
গবেষণা অনুযায়ী প্রোবায়োটিক বিভিন্ন ধরণের পাকস্থলী সমস্যা সমাধানে সক্ষমঃ
- হজমে সমস্যা দূরকরে
- ল্যাকটোজ সহনশীলকরে
- আলসার ও আলসার কোলাইটিস চিকিৎসায় সাহায্য করে
- কোষ্ঠকাঠিন্য হ্রাস করে
- আইবিএস ও ডায়রিয়ায় কার্যকর