কার্যপদ্ধতি
প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ
গাট মাইক্রোবায়োম ইমিউনোমডিউলেটরী ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরী ফাংশন সমৃদ্ধ মলিকিউল উৎপাদনের মাধ্যমে ইমিউন সেলকে শক্তিশালী করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এডাপ্টিভ ইমিউন রেসপন্সমূলত বি এবং টি লিম্ফোসাইটের উপর নির্ভরশীল যা নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের সাথে সংযুক্ত হয়।
অপরদিকে ইনেটসিস্টেম প্যাথোজেন অ্যাসোসিয়েটেড মলিকিউলার প্যাটার্ণ এর সাথে যুক্ত হয় যার বেশির ভাগ প্যাথোজেন থেকে আগত। প্যাথোজেনের সাথে প্রথম কার্য প্রক্রিয়া শুরু হয় প্যাটার্ণ রিকগনিশন রিসেপ্টরের মাধ্যমে। ক্রমশই প্যাটার্ণ রিকগনিশন রিসেপ্টরটি এলআর এ অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ট্রান্সমেমব্রেন প্রোটিন বিভিন্ন ইমিউন ও নন-ইমিউন সেলে তথা বি-সেল, ন্যাচারাল কিলার সেল, ডিসি, ম্যাক্রোফেজ, ফাইব্রোব্লাস্ট সেল, এপিথেলিয়াল সেল এবং এন্ডোথেলিয়াল সেল এ প্রবাহিত হয়।
এনজাইমের কার্যকলাপঃ
প্রোবায়োটিক পিত্তরসের সাথে আন্ত্রিক লুমেনের যোগসূত্র স্থাপন করে এবং পিত্তরস কোলেসস্টেরল শোষণ করে। পিত্ত সল্ট হাইড্রোলেজ হল আন্ত্রিক প্রোবায়োটিক দ্বারা উৎপাদিত এক ধরণের একজাইম যা পিত্ত লবনের প্রথম প্রতিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে।
শিশুর ডায়রিয়া ও এন্টিবায়োটিক জনিত ডায়রিয়া প্রতিরোধের ক্ষেত্রে প্রোবায়োটিক আন্ত্রিক অনুজীবের ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং প্যাথোজেনের বিস্তর প্রতিরোধে সক্ষম।
এছাড়াও প্রোবায়োটিক আন্ত্রিক কোষের মিউসিন উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং অন্ত্রের লিম্ফয়েড টিস্যুর সুরক্ষা প্রদান করে। একইভাবে প্রোবায়োটিক মস্তিষ্ক অন্ত্রের সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে আন্ত্রিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।